অসচ্ছল ও দরিদ্র এলাকার শিশুদের জন্য স্কুল ফিডিং কর্মসূচি উদ্বোধনের মাত্র তিন দিনের মাথায় শরনখোলা উপজেলার ১০ হাজার ৪৮১ শিশুকে তাদের জন্য বরাদ্দকৃত রুটি সরবরাহ দেওয়া হয়নি।
বুধবার (১ এপ্রিল) শরণখোলা উপজেলার ১১৪ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০ হাজার ৪৮১ শিশুর জন্য একটি করে বন রুটি (১২০গ্রাম) ও একটি সিদ্ধ ডিম বরাদ্দ থাকলেও কোন শিশুকেই রুটি দেয়া হয়নি। এ নিয়ে উপজেলার একাধিক স্কুলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।
শরণখোলা উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুনির আহমেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, শরণখোলা উপজেলার ১১৪ টি স্কুলে ১১,৬৪৬ জন শিক্ষার্থী এ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত। ২৯ মার্চ শরণখোলায় এ কর্মসূচী শুরু হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) ১০,৪৮১ জন শিক্ষার্থী একটি করে সিদ্ধ ডিম ও একটি করে বন রুটি পাওয়ার কথা। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত এনজিও কোন রুটি সরবারহ দিতে পারেনি বলে অনেক স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবকরা তাকে জানিয়েছেন। পাবনার জেলার OSAKA নামের একটি এনজিও এ উপজেলার খাদ্য সরবারহের দায়িত্ব পেয়েছেন বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত এনজিও OSAKA এর এজিএম মো. শামিমুজ্জামান জানান, বাগেরহাটসহ ১৩ টি জেলায় তারা স্কুল ফিডিং এর খাদ্য সরবারহ করার দায়িত্ব পেয়েছেন। তারা ঝিনাইদহের একটি ফ্যাক্টরী থেকে রুটি সরবরাহ নিচ্ছেন। ঈদের ছুটির কারনে ঐ ফ্যাক্টরীর শ্রমিক সংকট ও দেশব্যাপী জ্বালানী তেলের অভাবে পরিবহন সংকটের কারনে খাদ্য সংগ্রহ ও সরবারহ কিছুটা বিঘ্নিত হয়েছে। তবে বুধবারের নির্ধারিত সিডিউলের রুটির এ সংখ্যা পরবর্তী যে কোন দিনে সমন্বয় করে দেয়া হবে বলে জানান তিনি।