সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ঘুড়কায় মেসার্স রাকিব এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম খান নলকা ইউনিয়নের বাসিন্দা হয়েও ঘুড়কা ইউনিয়নে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সার ডিলারের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন দীর্ঘদিন। তথ্য সূত্রে জানা যায়, জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি)নাম্বারে দুটি ঠিকানা ব্যবহার করে ডিলারের লাইসেন্স পেয়েছেন। একটি পূর্ব ফরিদপুর, সাহেবগঞ্জ, নলকা ইউনিয়ের ঠিকানা এবং আরেকটিতে তিনি গ্রাম ও ইউনিয়ন ঘুড়কার ব্যবহার করেছেন। গত ৩ ডিসেম্বর সরকারের সংশ্লিষ্ট উপজেলা বিভাগের ছক অনুযায়ী যে তথ্য প্রেরণ করেছেন সেখানে তথ্যের এই সকল গড়মিল ধরা পড়েছে। মজার বিষয় হল শুধু জাতীয় পরিচয়পত্রের নয় গুদামঘরের তথ্যও মিথ্যা। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন ১ নং গুদামঘরের দৈর্ঘ্য ৩১ ফুট এবং প্রস্থ ১৫ ফুট। ২ নং গুদামের বর্ণানায়ও ৩১ ও ১৫ ফুট উল্লেখ করেছেন এবং ৩ নং গুদামের দৈর্ঘ্য ১৬ ফুট ও প্রস্থ ৯ ফুট লিখেছেন। তিনটি গুদামের যে তথ্য দিয়েছেন সেখানে সারের ধারণ ক্ষমতা লেখা হয়েছে ১৬০ মেট্রিকটন। কিন্তু ঘুড়কা বাজারে রফিকুল ইসলাম খানের নামে এই আয়তনের পৃথক পৃথক কোন গুদাম পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ রফিকুল ইসলাম তার স্থানীয় ঠিকানার সঠিক তথ্য গোপন করে ভুয়া ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে ঘুড়কায় অবৈধভাবে সারের ব্যবসা পরিচালনা করছেন। যা সরকারের সাথে ডিলার বিধিমালার প্রতারণা ও লাইসেন্স বাতিল যোগ্য অপরাধ। এ বিষয়ে রফিকুল ইসলাম মুঠো ফোনে জানতে চাইলে কোন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেনি। এ ব্যাপারে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।